কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতি: পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা
জার্নাল ডেস্ক
ভুয়া কাগজপত্র ও ভুল তথ্য উপস্থাপন করে দুই শতাধিক বাংলাদেশিকে কানাডার ভিসা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)।
বৃহস্পতিবার সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেদিন চার আসামি কুইবেকের ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।
তারা হলেন—রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মুদাব্বির আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম।
মামলার অপর আসামি রকিবুল হাসান বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে কানাডার আদালত।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মার্সিয়ার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায় সিবিএসএ এবং স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। ওই তল্লাশিতে কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় একই বছরের অগাস্টে আনুষ্ঠানিক তদন্তে নামে সিবিএসএ।
তদন্তকারীরা দেখতে পেয়েছেন, কানাডীয়দের স্বজন বা হোস্ট দেখিয়ে ২০৯ বাংলাদেশির জন্য মোট ২৪৩টি অস্থায়ী আবাসন ভিসার (টিআরভি) আবেদন করা হয়েছিল। ভুয়া নথিপত্র ও অসত্য তথ্যের মাধ্যমে টিআরভি ভিসা পাইয়ে দিতে কাজ করছিল চক্রটি।
পরে ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চারটি স্থানে তল্লাশি পরোয়ানা তামিল করে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ও নথি জব্দ করেন সিবিএসএ তদন্তকারীরা। মামলাটি জটিল ও বিস্তৃত হওয়ায় মজবুত প্রমাণ থাকা ৭৯টি আবেদন নিয়েই তদন্ত এগোয় সংস্থাটি।
আসামিদের বিরুদ্ধে কানাডার অভিবাসন আইনের তিনটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—অনুপ্রবেশে সহায়তা করার ষড়যন্ত্র, ভিসা আবেদনে তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্যে সহায়তা করা এবং প্রচলিত অভিবাসন আইন লঙ্ঘনে উস্কানি দেওয়া।
সিবিএসএ জানিয়েছে, আদালতে বর্তমানে অভিযোগগুলোর বিচারিক কার্যক্রম চলছে।
এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কানাডার জননিরাপত্তা মন্ত্রী গ্যাঁরি আনন্দসাঙ্গারি বলেন, “কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থা সততা ও আইনের ওপর চলে। যারা জালিয়াতি করবে, তাদের কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে।”
বাংলাদেশ জার্নাল/জেডএইচ
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();




