শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিতে চায় সরকার
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের সব শ্রেণির বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক….
শিক্ষা
প্রতিবেদক
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের সব শ্রেণির বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বই ছাপায় ৯৩ শতাংশ অগ্রগতি হলেও ইবতেদায়ি ও মাধ্যমিকের বই মুদ্রণ, বিশেষ করে অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় পিছিয়ে রয়েছে বেশ কিছু ছাপাখানা।
এনসিটিবির ২৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে ১১৩টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ৬২৩টি লটে বই ছাপার কাজ পেয়েছে। এবার মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১টি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যার মুদ্রণকাজ গত বছরের তুলনায় এক মাস আগেই শুরু হয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক স্তরে মোট ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৫৬ লাখ ২৮ হাজার ১৫৩টি, অর্থাৎ ৯৮ দশমিক ২১ শতাংশ কাজ শেষ।
প্রাথমিকের ৭ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ১৭৩টি বা ৮৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ইবতেদায়ি স্তরের ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৪টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৮৪টি বা ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। আর মাধ্যমিকের ১৭ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৮টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৯ কোটি ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৬টি, যা মোট বইয়ের ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ।
অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই মুদ্রণে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনেক পিছিয়ে থাকায় কাজের গতি বাড়াতে ৩২টি প্রেসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে এনসিটিবি। সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় ধীরগতির মূল কারণ হলো কয়েকটি লটে পুনরায় দরপত্র আহ্বান। প্রয়োজনে এসব প্রেসের কাজ বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে এবার কঠোর অবস্থানে রয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। বইয়ের মান যাচাইয়ে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৫৩টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। মানদণ্ড পূরণ না করায় অগ্রণী, আলিফ, আনন্দ ও অনিন্দ্যসহ মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের ৯ লাখ ফর্মা ও ১২ হাজার নিম্নমানের ছাপানো বই বাতিল করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কম দামের অজুহাতে নিম্নমানের বই তৈরি ও সরবরাহ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানদেরও সরাসরি বইয়ের মান যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা গ্রহণকালে ত্রুটি পাওয়া গেলে গ্রহীতাকেও শাস্তির আওতায় আনা হতে পারে। সূত্র: বাসস।
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();




