1. admin@amadernarayanganj24.com : admin :
  2. bdsumon007@gmail.com : bdsumon007 :
  3. news@gmail.com : new : new
  4. wvzuktee@formtests.info : pwuwkihyms :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন

সাজেকে অস্থিরতার নেপথ্যে কী?

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত



সাজেকে অস্থিরতার নেপথ্যে কী?

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট সাজেকে সম্প্রতি পাহাড়ি দুটি সংগঠনের ডাকা টানা অবরোধের কারণে পর্যটন অর্থনীতি ও স্থানীয় জীবনযাত্রায় গভীর সংকট দেখা দিয়েছে……..

বাংলাদেশ

জার্নাল ডেস্ক


বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট সাজেকে সম্প্রতি পাহাড়ি দুটি সংগঠনের ডাকা টানা অবরোধের কারণে পর্যটন অর্থনীতি ও স্থানীয় জীবনযাত্রায় গভীর সংকট দেখা দিয়েছে। গত ২২ অক্টোবর পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার সময় গোলাগুলির ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নেয়। 

অবরোধ প্রত্যাহার করা হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিদের আশঙ্কা, সাজেকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। সরেজমিনে খাগড়াছড়ি ঘুরে দেখা গেছে, এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির দ্বন্দ্ব।

সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। আন্দোলনকারীদের মূল অভিযোগ, গত ৩১ আগস্ট থেকে সাজেকের মাচালং এলাকায় জেএসএসের (সন্তু লারমা) একটি সশস্ত্র গ্রুপ অবস্থান নিয়েছে, যার কারণে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। 

গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা অভিযোগ করেন, ওই গ্রুপটি স্থানীয় মুরুব্বিদের মারধর, মোবাইল ছিনতাই ও অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করছে, ফলে বহু পরিবার ঘরছাড়া হয়েছে। অস্ত্রধারী সন্তু গ্রুপকে সাজেক এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতেই মূলত এই অবরোধ শুরু হয়। তবে বাবুধন চাকমা দাবি করেন, ২২ অক্টোবর কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি; বরং আন্দোলনরত নারী-পুরুষের ওপর লাঠিচার্জ করা হলে অর্ধশতাধিক আহত হন।

সাজেকের পর্যটন, পরিবহন ও কৃষি খাত মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত তিন কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, বছরে প্রতিটি গাড়ি থেকে দুই-তিন হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয় আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে। 

খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন জিপ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মীর হোসেন জানান, এখানে ইউপিডিএফ, জেএসএসসহ কয়েকটি সংগঠনকে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হয়। তিনি বলেন, “আমরা কোনো অস্ত্রধারীর কাছে জিম্মি থাকতে চাই না। আমরা স্থায়ী শান্তি চাই।” 

সাজেক কটেজ ও রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জনও চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে এই অস্থিরতার কারণে উদ্যোক্তারা ব্যবসা করার ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন।

খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া জানান, সাজেকে আগে ইউপিডিএফের নিয়ন্ত্রণ ছিল। সম্প্রতি তাদের হটিয়ে জেএসএস নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। মূলত চাঁদা আদায় ও আধিপত্য ধরে রাখাই এই দ্বন্দ্বের মূল কারণ। 

তিনি বলেন, একটি অবৈধ সশস্ত্র গ্রুপের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বা নিরাপত্তা বাহিনী অন্য গ্রুপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে না। সরকার চায় সব অবৈধ অস্ত্রধারীকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে।

জেএসএসের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা সশস্ত্র গ্রুপের উপস্থিতির কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সাজেকের জনগণ ইউপিডিএফের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো ইউপিডিএফের পকেট সংগঠন এবং তারা জেএসএসকে বিতর্কিত করতে এই অবরোধের নাটক সাজিয়েছে।

অন্যদিকে, ইউপিডিএফের সংগঠক মাইকেল চাকমা এই আন্দোলনে ইন্ধন দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এটি সাধারণ পাহাড়িদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ জনগণের আন্দোলনকে ইউপিডিএফের নামে চালিয়ে দিয়ে দমন করার কৌশল নেওয়া হচ্ছে। 

পাহাড়ি নেতা সন্তোষিত চাকমা মনে করেন, রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তির আগে একটি দল থাকলেও বর্তমানে পার্বত্য অঞ্চলে ছয়টি গ্রুপ সক্রিয়, যার দায় কিছুটা সরকারের নীতির ওপরও বর্তায়।

২৬ অক্টোবর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারি প্রতিনিধিদলের আলোচনা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান আসেনি। সরকার অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিতাড়িত করে এবং আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে সাজেকে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। তবে আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর রেষারেষি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পর্যটন স্পটটির স্বাভাবিকতা ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ

© Bangladesh Journal

(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);

(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);

_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();



Source link

Share this news as a Photo Card

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2026 bangladeshtimes24

Theme Customized BY LatestNews
31 October 2026

সকালের নাস্তায় ডিম ভাজি না দেওয়ায় ঘুমন্ত মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

www.bdtimes24.com |
bdtimes24