মালয়েশিয়ায় অভিযানে ২০ বাংলাদেশিসহ আটক ১৮১
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার সকালে জালান রাজা বট এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম মালয় মেইল ও বারনামার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশিদের কারও পুরো পরিচয় জানা যায়নি।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অপারেশনস) লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, অভিযানে ৫১২ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৮১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং পাসের অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৪৭ জন ইন্দোনেশিয়ার, ২০ জন বাংলাদেশের, ৫ জন নেপালের, ৩ জন ভারতের, একজন পাকিস্তানের এবং বিভিন্ন দেশের আরও পাঁচজন রয়েছেন। আটকদের সবাইকে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য বুকিত জলিল অভিবাসন ডিপোতে নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে কুয়ালালামপুর সিটি হল, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ এবং রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ অংশ নেয়।
লোকমান এফেন্দি জানান, রাজা বট মার্কেট মালয়েশিয়ার ২২৪টি চিহ্নিত অভিবাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার একটি। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পর উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করে এ বছর ওই এলাকায় দ্বিতীয়বারের মতো অভিযান চালানো হয়েছে। অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে এ ধরনের অভিযান চলবে। এক্ষেত্রে কোনো এলাকাকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, “অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায় শুধু বিদেশি নাগরিকদের নয়, অবৈধভাবে কর্মী নিয়োগকারী মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় বা সহায়তা দিলে স্থানীয় নাগরিকদেরও আইনের আওতায় আনা হতে পারে।”
তবে মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের এ ধরনের অভিযান নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

