চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসতবাড়িতে ৩০ ককটেল বিস্ফোরণ, লণ্ডভণ্ড বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের মুসা মাওলানা পাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অন্তত ৩০টি ককটেলের একযোগে বিস্ফোরণের ভয়াবহ…..
বাংলাদেশ
প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের মুসা মাওলানা পাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়িতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অন্তত ৩০টি ককটেলের একযোগে বিস্ফোরণের ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে গ্রামের বাসিন্দা এহু হোসেনের বাড়িতে এই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত ও লণ্ডভণ্ড হয়ে গেলেও সৌভাগ্যবশত এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের মো. ইসহাক আলীর ছেলে এহু হোসেনের বাড়ির আঙিনায় মাটির নিচে গোপনে এই বিপুল পরিমাণ ককটেল মজুত করে রাখা হয়েছিল। রোববার রাত ৮টার দিকে হঠাৎ ককটেলগুলো একযোগে বিস্ফোরিত হতে থাকে। বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এহু হোসেনের বসতবাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "ওই বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মাটির নিচে মজুত করে রাখা হয়েছিল। তবে যাঁর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত কি না বা কী উদ্দেশ্যে এগুলো রাখা হয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখছি।"
অন্যদিকে, ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই বিজিবির একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক কীভাবে সেখানে এল এবং এর নেপথ্যে কাদের ইন্ধন রয়েছে, তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে বিজিবি ও পুলিশ।
বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();







