এইচএসসিতে ফল বিপর্যয়: প্রশ্নের মুখে শিখন ও মূল্যায়ন
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার (৫২.১২ শতাংশ) শিক্ষাঙ্গনে গভীর হতাশা ও বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের……
শিক্ষা
নিজস্ব প্রতিবেদক :: own-reporter
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার (৫২.১২ শতাংশ) শিক্ষাঙ্গনে গভীর হতাশা ও বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অকৃতকার্য হওয়া এবং খাতা মূল্যায়নে চরম কড়াকড়ির কারণেই এবার ফলাফলে বড় ধস নেমেছে। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৯ হাজার কমে এবার ৪০ হাজার ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও বিশেষজ্ঞরা এই বিপর্যয়ের পেছনে করোনা মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ক্লাস ব্যাহত হওয়া এবং কাঠামোগত দুর্বলতাকে দায়ী করছেন। সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হলেও গ্রাম ও শহরের শিক্ষার মানের চরম বৈষম্য এবং প্রান্তিক পর্যায়ে বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের প্রকট অভাবের কারণে বরিশাল, রাজশাহী ও যশোরের মতো বোর্ডগুলোতে পাসের হার মারাত্মকভাবে কমেছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও হিসাববিজ্ঞানে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের চরম দুর্বলতা সার্বিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সার্বিক এই শিখন ঘাটতির কথা স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের একটি বছর যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে তাদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ থাকছে, যার আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে করা যাবে।
গত বছর খাতা পুনর্নিরীক্ষণে প্রায় ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবার পরীক্ষকদের মূল্যায়নের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং ভুল বা গাফিলতির প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

