1. admin@amadernarayanganj24.com : admin :
  2. bdsumon007@gmail.com : bdsumon007 :
  3. news@gmail.com : new : new
  4. wvzuktee@formtests.info : pwuwkihyms :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের শিক্ষক অধ্যক্ষ আব্দুল রশিদ, আজও মনে রেখেছেন সেই দিনগুলো

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত


দেয়ালে টাঙানো পুরনো ছবি, আলমারিতে সাজানো বইয়ের স্তূপ। আর সেই বইয়ের ভাঁজে ভাঁজে জমে আছে দীর্ঘ এক শিক্ষকতা জীবনের গল্প। বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ছোট্ট বাসায় থাকেন অধ্যক্ষ কাজী আব্দুল রশিদ। বয়সের ভারে এখন ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না, কারো হাত ধরে চলতে হয়। কিন্তু কথা বলতে শুরু করলেই চোখে-মুখে ফুটে ওঠে অন্যরকম এক উজ্জ্বলতা।

কারণ, তার দাবি অনুযায়ী – আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে খড়ি হয়েছিল তারই হাত ধরে।

অধ্যক্ষ আব্দুল রশিদ জানান, ১৯৭২ সালের কথা। তখন তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন। সেই সময় মাত্র ৫-৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ভর্তি করানো হয়। সে আর কেউ নয়, আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তখন বাড়ির সবাই তাকে আদর করে ডাকতো ‘পিনু’ নামে।

তিনি বলেন, “পিনু তখন অনেক ছোট। খুব চতুর আর বুদ্ধিমান ছিল। ওর মনে আছে কিনা জানি না, কিন্তু আমি ওকে পড়িয়েছি।”

এই প্রবীণ শিক্ষকের স্মৃতিতে আছে শুধু ছাত্র পিনুই নয়, তার বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও। তার ভাষায়, জিয়াউর রহমান একবার তার বাসায় এসে খাবার খেয়েছিলেন। তিনি নিজে বাজার থেকে রসগোল্লা আর বিস্কুট এনে চায়ের সঙ্গে দিয়েছিলেন। খেতে বসে জিয়াউর রহমান নাকি বলেছিলেন, মিষ্টি না হলেও চলতো।

অধ্যক্ষ আব্দুল রশিদ বলেন, “জিয়া সাহেব খাওয়া-দাওয়ায় অত্যন্ত সাধারণ ছিলেন। আমার বাসায় বসে কাঁঠাল দিয়ে একটা মুখে দিয়েছিলেন।”

তিনি আরও জানান, ১৯৭৮ সালে ছোট্ট পিনু কেমন আছে জানতে চেয়ে জিয়াউর রহমানের কাছে তিনি চিঠিও লিখেছিলেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। বহু গুণীজন তার ছাত্র ছিলেন বলে তিনি জানান। জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ নুরুল ইসলাম মনিও তার ছাত্র ছিলেন বলে তার দাবি।

কিন্তু এত বড় পরিচয় নিয়েও তার মধ্যে নেই কোনো অহংকার, নেই কোনো চাওয়া-পাওয়ার হিসাব।

প্রধানমন্ত্রী তার এক সময়ের ছাত্র – তার কাছে কিছু চাইবেন কিনা, এমন প্রশ্নে কিছুক্ষণ চুপ থেকে তিনি বলেন, “আমার কিছুই চাওয়ার নেই। আমি শুধু দোয়া করি, সে যেন দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে। আল্লাহ যেন তাকে ঠিক মতো কাজ করার তৌফিক দেন, যাতে দেশের উপকার হয়।”

পাথরঘাটার এই নিভৃত বাসায় বসে আজও তিনি বই পড়েন, পুরনো দিনের কথা মনে করেন। ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেও ক্ষমতার মোহ তাকে ছুঁতে পারেনি। একজন আদর্শ শিক্ষকের মতোই তিনি চান, তার ছাত্র যেন তার কর্ম দিয়ে দেশের মানুষের মনে জায়গা করে নেয়।



Source link

Share this news as a Photo Card

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2026 bangladeshtimes24

Theme Customized BY LatestNews
04 November 2026

প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের শিক্ষক অধ্যক্ষ আব্দুল রশিদ, আজও মনে রেখেছেন সেই দিনগুলো

www.bdtimes24.com |
bdtimes24