1. admin@amadernarayanganj24.com : admin :
  2. bdsumon007@gmail.com : bdsumon007 :
  3. news@gmail.com : new : new
  4. wvzuktee@formtests.info : pwuwkihyms :
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

ইরানকে ৯০টি উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে যাচ্ছে রাশিয়া, ফাঁস গোপন নথি

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত


ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক হেলিকপ্টারভিত্তিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা দ্য ডালাস অ্যানালিটিক্সের হাতে আসা দুই দেশের অস্ত্র চুক্তিসংক্রান্ত গোপন নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ফাঁস হওয়া নথি অনুযায়ী, ইরানের কাছে উন্নত এমএলইউআর (LMUR) গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ৯০টি লঞ্চার সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে রাশিয়ার। এমএলইউআর এক ধরনের নির্ভুল নিশানাভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা মূলত আক্রমণকারী হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপ করা হয়। ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আসছে।

দ্য ডালাস অ্যানালিটিক্সের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রাশিয়ার এই অস্ত্র রপ্তানি চুক্তির সাংকেতিক নাম ‘কে-১০’। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিম্পেল এসব সরঞ্জাম তৈরি করবে। ২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে লঞ্চারগুলো সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।

নথিতে ‘কে-১০’ বলতে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী সব লঞ্চার শেষ পর্যন্ত ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি দ্য ডালাস অ্যানালিটিক্স।

তবে ফাঁস হওয়া নথিতে ইরানের জন্য ২০২৩ সালে ছয়টি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান সরবরাহের উৎপাদন সূচির তথ্যও পাওয়া গেছে। পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্যে আসা বিমান সরবরাহের তথ্যের সঙ্গে ওই সূচির মিল রয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের অন্যতম সুবিধাভোগী হিসেবে রাশিয়াকে দেখছেন পশ্চিমা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক। তাঁদের মতে, এই সংঘাত মস্কোর জন্য কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি করেছে।

যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার ওপর আরোপিত জ্বালানি তেলসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রেও। পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে রুশ তেল কেনাবেচার ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হয়েছে।

জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য থেকে বাড়তি আয় রাশিয়ার অর্থনীতিতে স্বস্তি দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ক্রেমলিনের হাতে অতিরিক্ত অর্থ আসছে এবং জাতীয় বাজেটের ওপর চাপ কমছে।

অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও পশ্চিমা সামরিক সহায়তার একটি অংশ ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরে যাচ্ছে। এতে ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি গুরুত্বপূর্ণ প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সামরিক সহায়তার বিষয়টি বারবারই গুরুত্বহীন বলে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত মাসে এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তেহরানকে সহায়তার ক্ষেত্রে মস্কো খুব সামান্য ভূমিকা রাখছে, এমনকি আদৌ কোনো সহায়তা করছে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।

ট্রাম্পের যুক্তি ছিল, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনা থেকে রাশিয়াকে দূরে সরিয়ে দিতে চান না তিনি। ফলে ইরানকে রাশিয়ার সম্ভাব্য অস্ত্র সরবরাহের খবর ওয়াশিংটন ও মস্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।



Source link

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2026 bangladeshtimes24

Theme Customized BY LatestNews