1. admin@amadernarayanganj24.com : admin :
  2. bdsumon007@gmail.com : bdsumon007 :
  3. news@gmail.com : new : new
  4. wvzuktee@formtests.info : pwuwkihyms :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, বেঁচে ফিরে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন নারী

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত


যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী ক্রিস্টিয়া পাইক সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও এখনো তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটছে তাঁর।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টার দিন থেকে শুরু করে হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পাওয়া এবং পরবর্তী দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন তিনি।

ক্রিস্টিয়া জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁকে রিভারবেন্ড কারাগারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষে নেওয়া হয়। মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এমনকি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যক্ষ করতে আসা ব্যক্তিদের প্রতিও ভালোবাসা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

এরপর তাঁর শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যু না হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েক দিন পর সেখানে জ্ঞান ফিরে পান তিনি।

সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে ক্রিস্টিয়া বলেন, ‘হাসপাতালের বিছানায় যখন জেগে উঠি, তখন প্রচণ্ড ব্যথা আর বিভ্রান্তিতে ছিলাম। কী ঘটেছে, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এরপর থেকে এমন একটি মুহূর্তও কাটেনি, যখন শরীরে যন্ত্রণা অনুভব করিনি।’

তিনি জানান, শরীরের বিভিন্ন অংশের পাশাপাশি হাত ও গলায় তীব্র ব্যথা রয়েছে। এমনকি কথা বলতেও কষ্ট হয়। তবে শারীরিক যন্ত্রণার চেয়েও মানসিক কষ্ট তাঁকে বেশি বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

ক্রিস্টিয়ার ভাষায়, ‘আমি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছি, শক্তিও ফিরে পাচ্ছি। কিন্তু সুস্থ হয়ে ওঠা আর ভালো থাকা এক বিষয় নয়।’

বর্তমানে কারাগারের মেডিকেল ওয়ার্ডে একাকী রাখা হয়েছে তাঁকে। দীর্ঘ ২৮ বছর নির্জন কারাবাসের পর আবারও একই পরিস্থিতিতে পড়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

ক্রিস্টিয়া বলেন, ‘সেই রাতের পর থেকে আমি সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন। মানুষের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে। এই নিঃসঙ্গতা আমার কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।’

নিজের অতীত অপরাধের কথাও স্মরণ করেছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই নারী। তিনি বলেন, তাঁর হাতে নিহত ব্যক্তির পরিবারের কষ্টের কথা এখনো ভাবেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ প্রচেষ্টায় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রতিও সহমর্মিতা জানান তিনি।

তবে কঠিন এই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থন তাঁকে বেঁচে থাকার শক্তি জোগাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রিস্টিয়া।

তিনি বলেন, ‘অনেক মানুষ আমার জন্য প্রার্থনা করেছেন। তাঁরা আমাকে একজন মানুষ হিসেবে দেখেন, আমার কথা ভাবেন—এটি জেনে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’

পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, আইনজীবী ও তাঁর পাশে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

বিবৃতির শেষাংশে ক্রিস্টিয়া বলেন, ‘আমি জানি না, সেদিন রাতে কেন বেঁচে গেলাম। সামনে কী অপেক্ষা করছে, সেটিও জানি না। এই মুহূর্তে আশা ধরে রাখাই আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন। আপাতত শুধু সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।’

১৯৯৬ সালে এক সহপাঠীকে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন ক্রিস্টিয়া পাইক। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সূত্র: এপি নিউজ



Source link

Share this news as a Photo Card

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2026 bangladeshtimes24

Theme Customized BY LatestNews
30 October 2026

Eddie Howe to Man Utd? The fans, the finances, the football structure

www.bdtimes24.com |
bdtimes24