রাবণের মুখে মোদি-ট্রাম্প-দোভাল-আম্বানির ছবি লাগিয়ে কুশপুত্তলিকা দাহ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারসহ একাধিক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের মুখাবয়ব সম্বলিত একটি প্রতীকি রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে কংগ্রেস সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)।
আন্তর্জাতিক
জার্নাল ডেস্ক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারসহ একাধিক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের মুখাবয়ব সম্বলিত একটি প্রতীকি রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে কংগ্রেস সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)।
রাইসিনা রোডে অবস্থিত নিজেদের সদর দপ্তরে বিজয়া দশমীর উদযাপনের দিনে ‘আঙুল তো উঠবেই – রাবণ দহন’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। বুধবার (২১ অক্টোবর) দ্য ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার, সাম্প্রদায়িকতা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকির প্রতিবাদে এই কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
দশ মাথার এই রাবণের প্রতিকৃতিতে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও শিল্পপতি গৌতম আদানি ও মুকেশ আম্বানি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপি নেতা দুষ্যন্ত গৌতম এবং রাজনাথ সিংয়ের মুখ ব্যবহার করা হয়।
মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এনএসইউআই বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে যে আন্দোলন করে আসছে, এটি তারই একটি অংশ।
সংগঠনের জাতীয় মিডিয়া ইন-চার্জ রবি পান্ডে এবং দিল্লি ইন-চার্জ অখিলেশ যাদব জানান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয়ের প্রতীক বিজয়া দশমীতে তারা ভোটাধিকার রক্ষা, সংবিধান রক্ষা এবং যুবসমাজের ভবিষ্যতের সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। সূত্র: দ্য ট্রিবিউন
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();




