আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিককে হেনস্তা এবং তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় চিত্রনায়িকা পরীমণির সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিবা শানু। তাঁর মতে, শিল্পী কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিরই সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা গ্রহণযোগ্য নয়।
শিবা শানু বলেন, ‘শুধু শিল্পী নন, কোনো ব্যক্তিরই সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলা কাম্য নয়। আমরা অবশ্যই এ ঘটনার নিন্দা জানাই। একজন পেশাদার শিল্পীর কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এ ধরনের ঘটনায় শিল্পী সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বলেও মনে করেন তিনি। শিবা শানু বলেন, এমন ঘটনা সামাজিকভাবে শিল্পীদের অবস্থানকে ছোট করে। শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে তিনি চান না, সমিতির কোনো সদস্য এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন কিংবা এমন ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
তিনি আরও বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে এ ঘটনায় তিনি দুঃখিত। সাংবাদিক ও শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা তাঁর।
গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে যান পরীমণি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান তিনি।
একপর্যায়ে দৈনিক সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজুর ওপর চড়াও হয়ে তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে পরীমণির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শুধু পরীমণি নন, আদালত প্রাঙ্গণে তাঁর সঙ্গে থাকা বাউন্সার দলের সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলার পাশাপাশি সুজন চন্দ্র নামের এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগও রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।