সাম্য হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিলেন তার বাবা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় তার বাবা ফখরুল আলম আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ছুরিকাঘাতে ছেলের আহত হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান বলে সাক্ষ্যে জানান তিনি। এ মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
অন্যান্য
জার্নাল ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় তার বাবা ফখরুল আলম আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যে তিনি বলেছেন, ছুরিকাঘাতে ছেলের আহত হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান।
ঢাকার ১৯তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. মমিনুল ইসলামের আদালতে সাক্ষ্য দেন ফখরুল আলম। তার সাক্ষ্য শেষে আগামী ১৮ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বেঞ্চ সহকারী আশরাফুল আমিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
ফখরুল আলম বলেন, “সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র ছিল। ২০২৫ সালের ১৩ মে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমাদের কাছে ফোন আসে, আমার ছেলে সাম্যকে কিছু সন্ত্রাসী ছুরিকাঘাত করেছে। আমি দ্রুত সিএনজিতে করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই। মর্গে আমার ছেলের মৃতদেহ দেখতে পাই।
“শুনি, রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমার ছেলে ও তার বন্ধু বায়েজিদ, রাফি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খাবার খেতে যায়। সেখান থেকে খেয়ে ফেরার পথে রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্ত মঞ্চের উত্তর-পশ্চিম কোণায় পৌঁছালে কতিপয় সন্ত্রাসী আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলে।”
এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা শেষ করেন।
এ নিয়ে মামলায় তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে জানিয়ে বেঞ্চ সহকারী আশরাফুল আমিন বলেন, গত ৮ আগস্ট মামলার বাদী সাম্যর বড় ভাই এস এ এম শরীফুল আলম এবং ২৭ সেপ্টেম্বর সাম্যর সহপাঠী আশরাফুল আলম রাফি সাক্ষ্য দেন।
এর আগে গত ৩ মে সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।
আসামিরা হলেন—মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। এরা সবাই মাদক কারবারি।
এদের মধ্যে রাব্বি ও হৃদয় পলাতক রয়েছেন। অপর আসামিরা জামিনে আছেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় গত বছরের ১৩ মে রাত ১১টার দিকে ছুরিকাঘাতে আহত হন শাহরিয়ার আলম সাম্য (২৫)। রাত ১২টার দিকে বন্ধুরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন।
এ ঘটনায় ১৪ মে সকালে সাম্যর বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশের রমনা বিভাগের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ গত বছরের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করার কারণে সাম্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();





