1. admin@amadernarayanganj24.com : admin :
  2. bdsumon007@gmail.com : bdsumon007 :
  3. news@gmail.com : new : new
  4. wvzuktee@formtests.info : pwuwkihyms :
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রতিবেদকের নাম :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত


দেশের কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘কুটির ও মাইক্রো খাতের উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ তহবিল (সোপান)’ কর্মসূচির আওতায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মাধ্যমে এ অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১০১টি সহযোগী সংস্থার অনুকূলে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে পিকেএসএফ। এর মধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা। ঋণ পাওয়া উদ্যোক্তাদের ৮৭ শতাংশই নারী।

রোববার (৮ নভেম্বর) পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সোপান কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪টি জেলায় ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চলছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রথম ধাপে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা পায় পিকেএসএফ। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত তিন ধাপে সংস্থাটি পেয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। বাকি ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়ার কথা রয়েছে। অনুমোদিত পুরো অর্থ ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে উদ্যোক্তা পর্যায়ে বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় চারটি প্রধান উপখাতে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদনশিল্প বা ম্যানুফ্যাকচারিং, সেবা এবং ভ্যালু চেইন অর্থায়ন। এসব খাতে নতুন ব্যবসা বা উদ্যোগ গড়ে তোলার পাশাপাশি বিদ্যমান ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণে অর্থায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমেও ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

সোপান কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হলো গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা। বিশেষ করে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং কৃষিভিত্তিক ও অকৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশে সহায়তা করা। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র উদ্যোগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সরবরাহকারী, কাঁচামাল উৎপাদনকারী, পরিবেশক ও বিপণনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোকেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ শুধু উদ্যোক্তার মূল ব্যবসায় নয়, পণ্য উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৩ মে পিকেএসএফের মাধ্যমে বিশেষায়িত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার এ তহবিল ঘোষণা করে। পরে ১৯ আগস্ট দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তহবিলটি আবর্তক ঋণ তহবিল হিসেবে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ঋণ পরিশোধের পর সেই অর্থ আবার নতুন উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে ব্যবহার করা যায়। কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঋণ বিতরণের স্বচ্ছতা, গুণগত মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পিকেএসএফ একটি ডিজিটাল তদারকি ব্যবস্থা চালু করেছে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সদস্যভিত্তিক ঋণ বিতরণ এবং কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত তথ্য প্রতিদিন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এসব তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কর্মসূচির অগ্রগতি ও অর্থের ব্যবহার নিবিড়ভাবে তদারকি করা যায়।



Source link

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© All rights reserved © 2026 bangladeshtimes24

Theme Customized BY LatestNews